সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের আরও ১৩ অধ্যাদেশের বিল পাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা আরও ১৩টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপনের পর সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। ফলে এসব অধ্যাদেশ এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো, যা দেশের বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদের ১১তম কার্যদিবসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উপস্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে এগুলো অনুমোদন পায়।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী। এই সংশোধনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা এবং একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সকালের অধিবেশনে পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে— সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬; সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬; মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬; শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬ এবং পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬।
বিকালের অধিবেশনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে— জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬; জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন রহিতকরণ বিল; স্থানিক পরিকল্পনা আইন, ২০২৬; পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলী) আইন, ২০২৬; বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) আইন, ২০২৬; বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬; বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল সংক্রান্ত আইন রহিতকরণ এবং কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) আইন, ২০২৬।
বিজ্ঞাপন
সংসদে এসব বিল পাসের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া বেশ কয়েকটি নীতিগত সিদ্ধান্ত এখন আইনি ভিত্তি পেল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন আইনগুলো প্রশাসন, অর্থনীতি, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থায় বিভিন্ন পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।







