সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যেই আগ্রহী প্রার্থীদের তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
যদিও মনোনয়নপত্র সংগ্রহে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে—চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত রাজনৈতিক জোটগুলোর সমঝোতার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন জোটের মধ্যে আসন বণ্টন করা হয়েছে। এতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৩৬টি আসন, জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি জোট পেয়েছে ১টি আসন। ইতোমধ্যে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবারের মধ্যেই বিএনপি তাদের নির্ধারিত ৩৬ জন নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলাম ও তাদের শরিকরাও ১৩টি আসনের বিপরীতে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে।
ইসির পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত মোট ৪৬৪ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আজকের মধ্যে বাকি প্রার্থীরাও তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, জমা পড়া মনোনয়নপত্র ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে কোনো প্রার্থী আপত্তি জানাতে চাইলে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ থাকবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
বিজ্ঞাপন
এরপর ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে সাধারণত দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রার্থী দেয় না। ফলে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বড় কোনো জটিলতা না থাকলে অধিকাংশ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
বিজ্ঞাপন
তবে কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলে সে ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ঘিরে আনুষ্ঠানিকতা শেষের পথে, এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের।








