রবিবার শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, আলোচনায় ৪৯৮ প্রস্তাব

দেশব্যাপী প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। আগামী রবিবার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুরু হওয়া এই সম্মেলন চলবে ৬ মে পর্যন্ত। এতে মোট ৩৪টি অধিবেশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞাপন
সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারকরা জেলা প্রশাসকদের পাঠানো প্রস্তাবগুলো থেকে বাছাই করা ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশ থেকে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা সম্মেলনের জন্য মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা দেন, যার মধ্য থেকে এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ সম্মেলনকে প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, মাঠপর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে জেলা প্রশাসকরা উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন, নীতিনির্ধারণে সহায়তা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বিশেষ করে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের অধীনে এটি প্রথম ডিসি সম্মেলন হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়েছে। রবিবার সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন, যেখানে মাঠপর্যায়ের নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে।
সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। দিনশেষে জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয় দিনে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। একই দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন জেলা প্রশাসকরা।
তৃতীয় দিনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞাপন
সম্মেলনের শেষ দিনে স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এদিন রাতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সভা ও নৈশভোজ আয়োজন করা হয়েছে।








