নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগে জনবান্ধব হবে স্থানীয় সরকার: ফখরুল

গ্রাম পর্যায়ে দ্রুত ও সহজ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মনে করেন, নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনমুখী হয়ে উঠবে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে ইউনাইটেড ন্যাশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে-সহ চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি এবং এর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনায় গ্রামীণ জনগণের জন্য কম খরচে, দ্রুত ও সহজলভ্য বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত সমাধান করা গেলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ সহজে ন্যায়বিচার পাবে, অন্যদিকে আদালতের ওপর মামলার চাপও কমবে।

এ সময় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নারীরা যুক্ত হলে স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও জনবান্ধব ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশু সংশ্লিষ্ট সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যকার সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।








