জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ জামাতে অংশ নেবেন মো. সাহাবুদ্দিন, তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা।
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদ জামাতকে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়ক করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের মোট আয়তন প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার এলাকা প্যান্ডেলের আওতায় আনা হয়েছে। ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষ ২৫০ জন ও নারী ৮০ জনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ এবং প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঈদগাহে প্রবেশের জন্য রাখা হয়েছে মোট চারটি ফটক। এর মধ্যে ভিআইপিদের জন্য একটি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য দুটি এবং নারী মুসল্লিদের জন্য একটি পৃথক ফটক থাকবে। বহির্গমনের জন্য সাতটি ফটক নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঈদগাহে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পর্যাপ্ত ফ্যান ও আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদ খাবার পানি, নামাজের জন্য কার্পেট এবং ভিআইপি কাতারে জায়নামাজ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও বিশেষ নামাজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অগ্নিনির্বাপণে থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং পানি নিরোধক সামিয়ানার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, মুসল্লিদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।








