Logo

বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দেন প্রধানমন্ত্রী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ জুলাই, ২০২৬, ১৭:৩৫
বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ফাইল ছবি

স্বীয় বেতনের একটি অংশ নিয়মিত সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও সামর্থ্য অনুযায়ী নিজেদের বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, তিনি একটি ব্যক্তিগত অনুরোধ জানাতে চান, যা মানা বা না মানা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর তিনি মনে করেছেন, বিষয়টি সহকর্মীদের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী সেখানে বলেন, তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্বে থাকাকালে প্রতি মাসে নিজের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন। সেই অর্থ দরিদ্র মানুষের সহায়তা বা রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হতো।

তিনি আরও জানান, নিজেও সেই পারিবারিক চর্চা অনুসরণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার মূল বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। সেখান থেকে প্রতি মাসে ১১ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন তিনি। বেতন ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার পর নির্ধারিত অর্থ তুলে সরকারের হিসাবে চেকের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি তাদের পক্ষে সম্ভব হয় এবং তারা এতে সম্মত থাকেন, তাহলে তারাও প্রতি মাসে নিজেদের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি তহবিলে জমা দিতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাভিত্তিক উদ্যোগ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বান মন্ত্রিসভার সদস্যরা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তার ভাষায়, সবাই বিষয়টি শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগে আনন্দিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করেননি; বরং ব্যক্তিগত উদ্যোগ হিসেবে যে কাজটি তিনি নিজে করছেন, সেটিতে অন্যদেরও অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। এই আহ্বান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ ও জনকল্যাণমূলক মানসিকতার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD