তীব্র সংকটের আশঙ্কায় তিতাস গ্যাস

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পরিস্থিতির কারণে আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিএনজি স্টেশনসহ সব ধরনের গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন বলে সতর্ক করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানায়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোর কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) আরএলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তিতাসের সেবা এলাকায়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টার্মিনালের কারিগরি জটিলতা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে তিতাসের অধীনস্থ সব শ্রেণির গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তি পোহাতে হবে। এ পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞাপন
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব ইতোমধ্যেই রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিতে শুরু করেছে। অনেক আবাসিক এলাকায় চুলায় গ্যাসের চাপ এতটাই কমে গেছে যে স্বাভাবিকভাবে রান্না করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে ভোগান্তি আরও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেক গ্রাহক।
শুধু গৃহস্থালি নয়, শিল্পকারখানাগুলোও গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে উৎপাদন কার্যক্রম সীমিত করতে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এতে যানবাহনে জ্বালানি নিতে অতিরিক্ত সময় লাগছে এবং অনেক স্টেশনে স্বাভাবিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যা সমাধান করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ততদিন পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।








