সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের খবর সঠিক নয়

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের খবর সঠিক নয় বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই নামের অন্য এক ব্যক্তির সম্পদসংক্রান্ত আদালতের আদেশকে ভুলভাবে সাবেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতের আদেশে থাকা ব্যক্তির নাম সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় যথাযথ যাচাই ছাড়াই তাকে সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালত।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। আবেদনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মো. সাহাবুদ্দিনের নামে প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া ১৮টি প্লট এবং দুটি ব্যাংক হিসাবে থাকা মোট ৩৭ হাজার টাকা জব্দ বা অবরুদ্ধ করার তথ্যও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে আসে। একটি ইসলামি ব্যাংক লুটপাটের মামলায় মো. সাহাবুদ্দিনকে আসামি করার কথাও কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়।
বিজ্ঞাপন
একই নামের অন্য ব্যক্তির সম্পদ
দুদক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এসব সম্পত্তির মালিক সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নন। আদালতের আদেশটি একই নামের অন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নামের মিলের কারণে ওই ব্যক্তির পরিচয় যাচাই না করেই সাবেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সম্পদের তথ্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকাশিত সংবাদে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
দুদকের পিআরও গণমাধ্যমগুলোকে প্রকাশিত প্রতিবেদন পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
পরিচয় যাচাইয়ের আহ্বান
দুদক বলেছে, একই নামে একাধিক ব্যক্তি থাকলে তাদের পরিচয়, পেশা, ঠিকানা ও অন্যান্য শনাক্তকারী তথ্য যথাযথভাবে যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশ করা হলে পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ কারণে প্রকাশিত ভুল তথ্য দ্রুত সংশোধন করে সঠিক তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দুদক।








