Logo

জ্বালানির দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যে প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
সিলেট
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৯:১৫
জ্বালানির দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যে প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুরা চা-বাগান ফ্যাক্টরি মাঠে চা-শ্রমিকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব যাতে অন্য পণ্যের দামে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য সরবরাহব্যবস্থার দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। এ নিয়ে দুই দিন আগেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সম্ভাব্য যে অভিঘাত তৈরি হতে পারে, তা কীভাবে কমানো যায়, সে জন্য আমরা কাজ করছি। মূল্য স্থিতিশীল থাকবে এবং মূল্যের ওপর তেমন লক্ষণীয় কোনো অভিঘাত আসবে না বলে আমরা আশা করছি।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কথা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য, প্রায় ২০ দিন আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮০ থেকে ৮৫ ডলারের মধ্যে থাকলেও তা বর্তমানে ১০৬ ডলারে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের পর গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি ও পণ্যের দাম বেড়েছে। এ কারণে বেতন-ভাতা সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল। তবে মূল্যস্ফীতিতে বড় চাপ তৈরি না করতে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত কর্মীদের পারিশ্রমিক সমন্বয় করে। বাজারদরের তুলনায় কম বেতন হলে শ্রমিক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। যেসব চা-বাগানে স্কুল নেই, সেখানে প্রাথমিক এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাগানের সড়ক যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD