ঢাকার প্রতিটি রুটে চলবে এক কোম্পানির বাস, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার গণপরিবহণে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি নির্দিষ্ট রুটে একাধিক কোম্পানির পরিবর্তে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক একটি কোম্পানির বাস চলবে। পাশাপাশি যাত্রীসেবা উন্নত করা এবং যানবাহনের ফিটনেস ও চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে কাজ করবে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং বাস মালিক সমিতি। নতুন ব্যবস্থায় নির্ধারিত রুটে বাস পরিচালনার পাশাপাশি গাড়ির ফিটনেস, ট্রাফিক আইন মেনে চলা ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওপর থাকবে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে কাউন্টারভিত্তিক সেবা চালু, ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং জিপিএসের মাধ্যমে বাসের অবস্থান পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ডিটিসিএর সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে চালু ৯৮টি রুট ও ৬৬টি কোম্পানিকে পুনর্গঠন করে ৩২টি ক্লাস্টার রুটে একীভূত করা হবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও বাস মালিক সমিতির সমন্বয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম দুটি রুট চূড়ান্ত করা হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এদিকে, একই দিনে পৃথক বৈঠকে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিটি ইউনিয়নে মিনি স্টেডিয়াম ও খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আগামী দুই মাসের মধ্যে অন্তত এক হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুতের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের বিপরীতে অন্তত একটি খেলার মাঠ নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে ক্রীড়া কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বুয়েটের নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহসহ পরিবারের সদস্যরা তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আবরার হত্যা মামলার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে বিচারকাজ পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আবরার ফাহাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের আইনগত ও নৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।








