এআই কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে পারে, জবাবদিহি নয়: খলিলুর রহমান

কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তাঁর মতে, প্রযুক্তি দিয়ে কাজের বিভিন্ন প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করা সম্ভব হলেও জবাবদিহির দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এনগেজিং বিজনেস ফোরামে এআই এবং কর্মজগতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ড. খলিলুর রহমান বলেন, “এআই কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে পারে, কিন্তু কখনোই জবাবদিহি স্বয়ংক্রিয় করতে পারে না।”
তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কর্মক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে নিয়োগ, কর্মপরিবেশ এবং কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে এ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বলেন, এআই ব্যবস্থা তৈরি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর উচিত কর্মীদের সম্পৃক্ত করা। পাশাপাশি কর্মীদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে—এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তোলার কার্যকর সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার ও শিল্প খাতের নেতাদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
কর্মক্ষেত্রে এআইয়ের বিস্তারের সঙ্গে নিয়োগ ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতিও পরিবর্তিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার, সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ড. খলিলুর রহমান।








