১০ দলীয় জোটে কারা পাচ্ছেন ফাঁকা থাকা ৪৭ আসন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ইতোমধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। সমঝোতার ভিত্তিতে জোটের ২৫৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও বাকি থাকা ৪৭টি আসন এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করবে। এ ছাড়া এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বিডিপি ২টি এবং নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
এই হিসাব অনুযায়ী শুরুতে অবশিষ্ট ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়, তারা আর জোটে থাকবে না এবং এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে অংশ নেবে।
বিজ্ঞাপন
ইসলামী আন্দোলনের এই সিদ্ধান্তের পর জোটের মধ্যে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন প্রশ্ন—ফাঁকা হয়ে যাওয়া ওই ৪৭টি আসনে শেষ পর্যন্ত কারা প্রার্থী হবেন?
জোট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব আসন পুনরায় সমঝোতার মাধ্যমে জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।
বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোটের এক নেতা জানান, অবশিষ্ট ৪৭টি আসনের মধ্যে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি আসনে জামায়াত প্রার্থী দিতে পারে। বাকি ৭ থেকে ১২টি আসন এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এবি পার্টিসহ অন্যান্য শরিক দলের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।








