আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে, ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিনটি উপলক্ষে দলীয় ও পারিবারিক উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তাকে স্মরণ করছে বিএনপি।
বিজ্ঞাপন
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান কোকো। মৃত্যুর দুই দিন পর তার মরদেহ দেশে আনা হয়। পরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার অকাল মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে বনানী কবরস্থানে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে জ্যেষ্ঠ নেতারা তার কবর জিয়ারত করবেন এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়েও পৃথকভাবে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন রাখা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতির চেয়ে ক্রীড়া অঙ্গনে বেশি সক্রিয় ছিলেন। দেশের ক্রীড়া সংগঠনে তার সম্পৃক্ততা ছিল উল্লেখযোগ্য। ক্রীড়া প্রশাসনে অবদান রাখার মাধ্যমে তিনি পরিচিতি লাভ করেন।
বিজ্ঞাপন
এক-এগারোর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেনানিবাস এলাকার বাসভবন থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যান। সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে গিয়ে দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই ছিলেন।
দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, কোকোর স্মৃতি ও অবদানকে ধরে রাখতে প্রতি বছরই তার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও স্মরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। তার রুহের মাগফিরাত কামনায় আজও পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা প্রার্থনায় অংশ নেবেন।








