হানাহানি নয়, ভোটের রায় মাথা পেতে নেব: জাহাঙ্গীর হোসেন

ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়-পরাজয় থাকলেও সেটি যেন কোনোভাবেই সংঘাত বা সহিংসতায় রূপ না নেয়—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেছেন, জনগণের রায় মাথা পেতে নেব। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর এলাকায় মালেকাবানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন জাহাঙ্গীর হোসেন। ভোট দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, নির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন। প্রায় তিন দশক ধরে এই এলাকার মানুষের পাশে থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ঢাকা-১৮ আসনকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত জনপদে রূপান্তর করাই তাঁর লক্ষ্য।
বিজ্ঞাপন
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। তাঁর প্রত্যাশা, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে সেই অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং একটি মানবিক ও জনকল্যাণমুখী সরকার প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফলেও একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর নির্বাচনের প্রতিফলন দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনী মাঠে বিশৃঙ্খলার বিষয়ে সতর্ক করে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের হানাহানি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কাম্য নয়। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করবে এবং যার ওপর আস্থা রাখবে, তাকেই ভোট দেবে—এটাই গণতন্ত্রের মূল কথা।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। বিজয়ী হলে কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আগামীর পথ চলতে চান বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। জানা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে মোট ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও এপিসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রায় ১৫০ জন সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।








