Logo

জামায়াত-এনসিপি জোটের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:০৬
জামায়াত-এনসিপি জোটের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনীতদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে বলে জোট সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ জানান, সকাল ১০টার দিকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জোট মোট ৭৭টি সাধারণ আসন লাভ করেছে। এর ভিত্তিতে তারা সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩টি আসনের অধিকারী হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ১২টি আসন পাওয়ার যোগ্য হলেও জোটের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, শরিক দলগুলোর অবদান বিবেচনায় এনে এনসিপি, জাগপা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে একটি করে আসন দেওয়া হয়েছে। ফলে জামায়াত নিজে ৯টি আসনে প্রার্থী দেবে।

জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, দলটির চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া নয়জন নারী নেত্রী হলেন— নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি, নাজমুন্নাহার নিলু, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, মেরিনা সুলতানা, মাহফুজা খানম, সাজেদা সামাদ এবং রোকেয়া বেগম। অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, শরিক দলগুলোর মধ্যে এনসিপি থেকে ডা. মাহমুদা মিতু, জাগপার সভাপতি তাসমিয়া প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা করিম সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এনসিপির ক্ষেত্রে, দলটি জাতীয় সংসদে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাচ্ছে। দলটির একটি শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ওই আসনের জন্য যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরা শারমিনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

জামায়াতের একজন শীর্ষ নেতা জানান, প্রার্থী চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক যাচাই-বাছাই ও আলোচনা হয়েছে। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রভাবকে প্রাধান্য না দিয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতেই তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমনকি দলীয় প্রধানের পরিবারের সদস্যের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD