প্রতিশ্রুতি রেখেছে জামায়াত, সম্মিলিতভাবে কাজ করার আশা মিতুর

রাজনৈতিক সমঝোতা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে এই আস্থা ও সমন্বয় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদা আলম মিতু জানান, তিনি এনসিপির পক্ষ থেকে জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। এ জন্য তিনি নিজের দল এবং সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে জোটের অংশীদার হিসেবে জামায়াতে ইসলামী তাদের দেওয়া রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে রক্ষা করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি জোটের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা ও প্রতিশ্রুতি। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, জামায়াতে ইসলামী তা বাস্তবে প্রমাণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় বড় দল জোট গঠন করলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। এমনকি আসন সংখ্যা বেশি থাকা সত্ত্বেও জোটের শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থানকে ভিন্নধর্মী হিসেবে তুলে ধরেন মিতু।
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সঙ্গে শহীদ পরিবারের একজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও মূল্যবোধের প্রতিফলন।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষাপটেই তারা আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছেন এবং সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই তাদের পথচলা।
জোটের অন্যান্য নারী প্রার্থীদের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারা তৈরি হবে।
বিজ্ঞাপন
নারী উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়েও নিজেদের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন মিতু। তিনি বলেন, নারীদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করার পাশাপাশি আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রেও জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবেন তারা।








