শেখ মুজিব হত্যার আগে পরিস্থিতি কেমন ছিল বাংলাদেশে?

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার আগে বাংলাদেশে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছিল। স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশটি একদিকে দুর্ভিক্ষ, খাদ্যসংকট, দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির মতো সংকট মোকাবিলা করছিল; অন্যদিকে একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছিল।
বিজ্ঞাপন
ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এর আগে কয়েক মাস ধরে দেশের রাজনীতি, প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নানা ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।
রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন
১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসে। বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গঠিত হয় বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা বাকশাল।
বিজ্ঞাপন
একই সময়ে চারটি সংবাদপত্র ছাড়া অন্য সব সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে রাজনৈতিক বিরোধিতা ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রও সংকুচিত হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ জমতে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি, খাদ্যসংকট এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি।
দুর্নীতি ও লুটপাট নিয়ে ক্ষোভ
বিজ্ঞাপন
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। খাদ্যসংকটের পাশাপাশি সরকারি ত্রাণ ও খাদ্যশস্য বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে।
সেসময়ের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত স্মৃতিকথায় সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে খাদ্যশস্য চুরি, পরিবহনের সময় খাদ্যশস্য উধাও এবং ত্রাণসামগ্রী আত্মসাতের নানা অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।

দুর্নীতি ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে সরকার একপর্যায়ে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামায়। তবে অভিযান পরিচালনার সময় ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে সেনা কর্মকর্তাদের বিরোধ তৈরি হয় বলে বিভিন্ন স্মৃতিকথায় উল্লেখ রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পরবর্তীতে দলীয় নেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেনা সদস্যদের আবার ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীর একাংশের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়ে দিয়েছিল বলে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন লেখায় দাবি করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি
দুর্ভিক্ষের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। সে সময়ের সংবাদপত্রে নিয়মিত চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যার খবর প্রকাশিত হতো।
বিজ্ঞাপন
শুধু শহর বা গ্রাম নয়, ট্রেন ও নৌযানেও ডাকাতির ঘটনা ঘটছিল। ১৯৭৫ সালের ১০ আগস্টের কাছাকাছি সময়ে প্রকাশিত সংবাদগুলোতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ বৃদ্ধির চিত্র উঠে আসে।
এর মধ্যে একটি ট্রেন ডাকাতির ঘটনায় শতাধিক গুলি ছোড়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় কয়েকজন নিহত ও বহু যাত্রী আহত হন বলে সেসময়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে অভিযান
বিজ্ঞাপন
স্বাধীনতার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সশস্ত্র চরমপন্থী সংগঠনের তৎপরতাও বাড়তে থাকে। পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টিসহ বিভিন্ন সংগঠনের বিরুদ্ধে সরকার অভিযান জোরদার করে।
১৯৭৫ সালের শুরুতে সর্বহারা পার্টির নেতা সিরাজ শিকদার নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির সহিংস কর্মকাণ্ড আরও বেড়ে যায় বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।
পুলিশ ও রক্ষী বাহিনীর অভিযানে নিয়মিত গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হতো। বিভিন্ন অভিযানে চরমপন্থী সংগঠনের সদস্যদের নিহত হওয়ার ঘটনাও সংবাদপত্রে আসত।
বিজ্ঞাপন
১৫ আগস্টের মাত্র দুই দিন আগে, ১৩ আগস্ট, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় রক্ষী বাহিনীর অভিযানে চার চরমপন্থী নিহত ও একজন গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
খরা থেকে বন্যা, বাড়ে খাদ্যসংকট
১৯৭৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগও পরিস্থিতিকে কঠিন করে তোলে। দুর্ভিক্ষের ক্ষত তখনও পুরোপুরি কাটেনি। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বেশি জমিতে আউশ ধান চাষে উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
কিন্তু বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। সেচের অভাবে আউশ ধানের ক্ষেত শুকিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এর কিছুদিন পর অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা দেখা দেয়। সিলেট, চট্টগ্রাম ও রংপুরসহ কয়েকটি অঞ্চলে ফসল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়। বন্যার সঙ্গে দেখা দেয় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের সংকট এবং পানিবাহিত রোগের প্রকোপ।
সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ
বিজ্ঞাপন
সেসময়ের সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। সেনাবাহিনীর একাংশের মধ্যে বিভিন্ন কারণে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত স্মৃতিকথা ও গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সেনা সদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়ে অসন্তোষ, রক্ষী বাহিনীর সুযোগ-সুবিধা এবং সরকারের একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো—এসব বিষয় তরুণ কর্মকর্তাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়।
রক্ষী বাহিনীকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েও সেনাবাহিনীর একটি অংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এ নিয়ে নানা গুজবও ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এসব বিষয়ে ঐতিহাসিক বর্ণনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ফলে ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পেছনে কোন কারণ কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের শেষদিকের অভিযান
অন্যদিকে, তৎকালীন সরকার দুর্নীতি ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিয়েছিল। ১৯৭৫ সালের জুলাইয়ের শেষদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হয়।
বিভিন্ন সংবাদপত্রে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেপ্তার ও সাময়িক বরখাস্তের খবর প্রকাশিত হয়।

দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুরকেও জুলাই মাসে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে তাকে পাঠানো চিঠিতে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল বলে সেসময়ের সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে আসে।
অর্থাৎ সরকারের শেষ সময়েও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছিল। তবে একই সময়ে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে জনমনে অসন্তোষও ছিল।
অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা
পরবর্তী তদন্ত ও বিভিন্ন সামরিক কর্মকর্তার স্মৃতিকথায় ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পরিকল্পনায় কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার ভূমিকার কথা উঠে এসেছে।
মেজর সৈয়দ ফারুক রহমান ও মেজর খন্দকার আবদুর রশিদের নাম পরিকল্পনার সঙ্গে বিশেষভাবে আলোচিত হয়। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার যোগাযোগ ছিল বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে কেউ কেউ সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট ছিলেন। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং দেশের রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে তাদের ক্ষোভ ছিল বলে পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে।
১২ আগস্ট রাতে আলোচনা করে ১৫ আগস্টকে অভ্যুত্থানের দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে একটি সামরিক স্মৃতিকথায় উল্লেখ রয়েছে।
খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে যোগাযোগ
অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাকারী সামরিক কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়।
তাদের মধ্যে খন্দকার মোশতাক আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ বিশেষভাবে আলোচিত। পরিকল্পনাকারীদের ধারণা ছিল, শেখ মুজিবকে সরিয়ে দেওয়ার পর মোশতাক রাষ্ট্রের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেবেন।
তবে ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্র ও এর রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথি, তদন্ত প্রতিবেদন ও স্মৃতিকথায় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রেকি
১৫ আগস্টের আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ আগস্ট, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের আশপাশে কয়েকজন অভ্যুত্থানকারী সেনা কর্মকর্তাকে দেখা গিয়েছিল বলে পরবর্তী তদন্তে সাক্ষীদের বক্তব্যে উঠে আসে।
মেজর ডালিম ও ক্যাপ্টেন বজলুল হুদাকে ওই এলাকায় দেখা গিয়েছিল বলে মামলার তদন্তসংক্রান্ত বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর রাতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আড়ালে ট্যাঙ্ক, অস্ত্র ও সেনাসদস্যদের ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করানো হয় বলে পরবর্তী তদন্তে উঠে আসে।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিরাপত্তা
পরবর্তী গোয়েন্দা তদন্তে বলা হয়, ১৫ আগস্ট ভোরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে যে মাত্রার নিরাপত্তা প্রয়োজন ছিল, তা ছিল না।
আরও পড়ুন
অন্যদিকে ওই দিন সকালে শেখ মুজিবুর রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কর্মসূচি থাকায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। এ কারণে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল ছিল বলে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তদন্ত ও লেখায় দাবি করা হয়।
এর আগেও হামলার ঘটনা
১৯৭৫ সালের ২১ মে শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর একটি হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন দূতাবাসের একটি গোপন বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই ঘটনায় শেখ মুজিব অক্ষত থাকলেও দুই ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন বলে মার্কিন কূটনৈতিক নথিতে বলা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও ওই নথিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে ওই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৫ আগস্টের ভোর
রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতির অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, চরমপন্থী তৎপরতা এবং সেনাবাহিনীর একাংশের অসন্তোষ—এসবের মধ্যেই ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ঘটে।
ভোরে সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে হামলা চালায়। শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ওই ঘটনায় নিহত হন।

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এরপর দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও সামরিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুধু একটি কারণের ওপর নির্ভর না করে তৎকালীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক সংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা, সামরিক অসন্তোষ এবং অভ্যুত্থানকারীদের নিজস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য—সবগুলো বিষয়কে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তথ্য সূত্র: বিবিসি বাংলা








