Logo

গাজী নজরুলের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২:১০
গাজী নজরুলের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন এমপি
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবন (ন্যাম ভবনের) একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি ও পিবিআইয়ের সদস্যরা তদন্ত করছেন।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে মরিয়মকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। ফরেনসিক আলামত সংগ্রহের জন্য বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহ উদ্ধারের সময় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ফ্ল্যাটে ছিলেন। ঘটনাস্থলে কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের বরাত দিয়ে জাগো নিউজ জানিয়েছে, দুপুরে নজরুল ইসলাম তাঁর দুই স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁরা আলাদা কক্ষে চলে যান। বিকেল ৫টার পর মরিয়মকে ডাকতে গিয়ে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে জানালা দিয়ে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায় বলে ওই পুলিশ সদস্য জানান।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ঘটনার পর পুলিশ ফ্ল্যাটে গিয়ে আলামত সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। মৃত্যুর আগে সেখানে কী ঘটেছিল, মরিয়ম কীভাবে মারা গেলেন এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত ছিল কি না—এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

মরিয়ম খাতুনকে ঘিরে চলতি বছরের জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। পরে নজরুল ইসলাম ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।

ওই ঘটনার পর ২২ জুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানায়। দলীয় তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি পুলিশ। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD