জাতিসংঘে তারেক রহমান শান্তিকামী মানুষের কথা বলেছেন: রিজভী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যকে বিশ্ববাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের দাবি তুলে তারেক রহমান সারা বিশ্বের মানুষের মনের প্রতিধ্বনি ঘটিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘে তারেক রহমান তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার বাবা ১৯৮০ সালে এবং মা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাদেরই ছেলে তারেক রহমান সেখানে বক্তব্য দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হিসেবে তাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রিজভী বলেন, প্রত্যেক দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের মর্যাদার ভিত্তিতে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানা বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
বিশ্বে শান্তির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, সারা বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, যুদ্ধ হলে জিনিসপত্র, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বাড়ে। বিদ্যুৎ থাকে না, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ বেকার হয়।
সমাবেশে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন রিজভী। তিনি বলেন, বিএনপি ‘মিডনাইট নির্বাচন’-এর মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে তারেক রহমানের সরকার ও বিএনপির জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপির সরকার মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য কাজ করছে।
জাতীয়তাবাদী ওলামা দলকে বিএনপি সরকারের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দেশে দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির কোনো অবস্থান নেই।
বিজ্ঞাপন
রিজভী আরও বলেন, যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশ করতে চায় এবং একটি তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল ও বিএনপি রাস্তায় রাস্তায়, পথে প্রান্তরে কঠিন ব্যারিকেড গড়ে তুলবে।
সমাবেশে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুসহ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








