অপরাধ করলে আমার ভাইও ছাড় পাবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

ভালো কাজের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অপরাধে জড়ালে নিজের ভাই কিংবা নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার দেবিদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তার বক্তব্যের বিষয়টি সমসাময়িক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “ভালো কাজের সঙ্গে তোমরা সব সময় আমাকে পাশে পাবে। কিন্তু খারাপ কাজ বা অপরাধ করলে তুমি আমার ভাই কিংবা নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও ছাড় পাবে না।”
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, অপরাধের বিচারে তার উপজেলার ছেলেদের অন্য উপজেলার ছেলেদের তুলনায় ৪-৫ গুণ বেশি শাস্তি পেতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে যাওয়া বা অন্য কোনো ক্যারিয়ার গড়ার বিষয় আলাদা। তবে পড়াশোনার মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে কলেজের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এই সময়টাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে উচ্চশিক্ষার পথও উন্মুক্ত হবে।
বিজ্ঞাপন
দেবিদ্বারে কিশোর গ্যাং ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে আটকের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। এসব ঘটনায় স্বনামধন্য বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রয়েছে বলে জানান হাসনাত।
তিনি বলেন, কুমিল্লার পুলিশ সুপার যখন দেবিদ্বারের কোনো ছেলের গ্রেপ্তারের খবর দেন, তখন তিনি লজ্জিত হন। বিপরীতে এলাকার কোনো শিক্ষার্থীর ভালো কাজের খবর পেলে সেটিই প্রকৃত গর্বের বিষয় হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভবিষ্যতে তারা কী হতে চায়, সেই সিদ্ধান্ত তাদের নিজেদেরই নিতে হবে। প্রজাপতি, মৌমাছি কিংবা ভ্রমর—কোন পথে এগোবে, তা নির্ধারণের দায়িত্বও তাদের।
দেবিদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান মজুমদার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সবুর এবং সাবেক শিফট ইনচার্জ জামাল মো. কবীরসহ অন্যরা।








