শেখ হাসিনার ফেরা দূরের কথা, মরদেহ দাফনেও সাহস নেই আ. লীগের

শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাবনা নাকচ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা তো দূরের কথা, তার মরদেহ বাংলাদেশে এলেও তা দাফন করার সাহস আওয়ামী লীগের কারও নেই।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মাগুরা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বারুনাতৈল কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনে নিহত মেহেদী হাসান রাব্বির কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার খবর ছড়ানো হচ্ছে। তবে এমন অনেক ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটির নৈতিক পরাজয় হয়েছে। তার ভাষ্য, ভারতে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ আবার ফাঁসির দড়িতে ঝোলার জন্য বাংলাদেশে ফিরে আসবে—এমনটা পাগল ছাড়া কেউ বিশ্বাস করবে না।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ভারতের এক্সটেনশন হিসেবে কাজ করত এবং দলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ লোক ভারতে পালিয়ে গেছেন। দেশে থাকা দলটির সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রদলই যথেষ্ট।
বিজ্ঞাপন
বর্তমান বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, গণহত্যার বিচারের দাবিতে বিরোধী দলের নেতাদের এখনো যথেষ্ট সোচ্চার দেখা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে দল দুটিকে সঙ্গে নিয়েই ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতে ইসলামী বেইমানি করতে পারে, ছাত্রশিবিরও বেইমানি করতে পারে। তবে এ দেশের জনগণ বেইমানি করবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে জুলাই আন্দোলনে নিহত মেহেদী হাসান রাব্বির কবর জিয়ারত করেন রাশেদ খাঁন। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
মেহেদী হাসান রাব্বি মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সময় মাগুরা শহর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন। তার কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে রাশেদ খাঁন নিহত এই ছাত্রদল নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।








