বিজেপি-আরএসএসের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে শিবির: আব্দুল কাদের

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির বিজেপি ও আরএসএসের এজেন্ডা অনুযায়ী কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস রান্না ও মন্দিরের পরিত্যক্ত ইট ব্যবহারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞাপন
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির বিজেপি ও আরএসএসের এজেন্ডা অনুযায়ী কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস রান্না ও মন্দিরের পরিত্যক্ত ইট ব্যবহারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আব্দুল কাদের বলেন, শিবির বুঝে হোক আর না বুঝে হোক, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার সময়ে এসে তারা বিজেপি-আরএসএসের এজেন্ডা মাফিক কাজ করছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত সোমবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা মন্দির প্রাঙ্গণে গরুর মাংস রান্না করেন। এ সময় রান্নার কাজে মন্দিরের পরিত্যক্ত ইট ব্যবহারের ঘটনাও সামনে আসে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে দূরদর্শী উল্লেখ করে আব্দুল কাদের বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর একটি নেতিবাচক প্রচেষ্টা সবসময় থাকে বলে তিনি মনে করেন। ভারতে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তৎপরতা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
নিজের পোস্টে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও উদ্বেগ জানান আব্দুল কাদের। তাঁর ভাষ্য, দেশে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় কিছু গোষ্ঠী উৎসবকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ খুঁজতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে গরুর মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে শিবিরের অবস্থান নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আব্দুল কাদের আরও লেখেন, মন্দিরের সামনে গরুর মাংস রান্না এবং মন্দিরের পরিত্যক্ত ইট ব্যবহারের মতো ঘটনার পর সংশ্লিষ্টদের অনুতপ্ত হওয়া উচিত ছিল। পাশাপাশি দুর্গাপূজার সময় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সহযোগিতামূলক আচরণ প্রত্যাশিত ছিল বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এর পরিবর্তে শিবির পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সংগঠনটিকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, শিবিরকে এমন ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, না থাকলে বিরত রাখতে হবে।
আব্দুল কাদেরের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তবে তাঁর ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত বিজেপি-আরএসএসের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগটি তাঁর ব্যক্তিগত বক্তব্য; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন









