ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে পরওয়ারের বৈঠকের তথ্য জামায়াতকে দিতে রাজি আছি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার বৈঠকের অভিযোগের বিষয়ে দলটিকে তথ্য-প্রমাণ দিতে রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে জামায়াত তদন্ত কমিটি গঠন করলে কমিটির কাছে তথ্য সরবরাহ করবেন। তবে বৈঠকের অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ কথা জানান।
পোস্টে তিনি বলেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে জামায়াতের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা উচিত। কমিটি তথ্যের স্বার্থে তাঁর সঙ্গে বসলে তিনি তথ্য দিতে প্রস্তুত। একইভাবে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা চাইলে তাঁদের কাছেও তথ্য-প্রমাণ সরবরাহ করতে রাজি আছেন বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের অনেকে অবগত আছেন বলেও দাবি করেন রাশেদ খাঁন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, জামায়াত বা দলটির নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে যে কারও সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তবে বৈঠকের জন্য বারবার গাড়ি পরিবর্তন এবং বিষয়টি গোপন রাখার অভিযোগ সন্দেহ তৈরি করেছে বলে তাঁর বক্তব্য। কেন তথ্য গোপন করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন থেকেই তিনি বিষয়টি জনপরিসরে এনেছেন বলে জানান। এতে মানহানি হয়ে থাকলে মামলা করার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে দলের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগটিকে জামায়াতের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বজায় রেখে বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে। মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছেন—এমন খবরকে তিনি অসত্য বলে দাবি করেন এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিজ্ঞাপন
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, যারা এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করেছেন, তাঁদের উচিত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা। তাঁর ভাষ্য, অসত্য তথ্যের মাধ্যমে দলের সেক্রেটারি জেনারেলকে বিতর্কিত করার চেষ্টা সফল হবে না। তিনি অভিযোগকারী ও সংবাদ প্রচারকারীদের বক্তব্যের সত্যতা প্রকাশের আহ্বান জানান।









