‘৭ আগস্টের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন হান্নান মাসউদ’

হান্নান মাসউদ ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ৭ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের কেএফসিতে হাতিয়ার আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন হান্নান মাসউদ। ওই বৈঠকে ছবিতে থাকা কয়েকজনের পাশাপাশি জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও তার ভাতিজা রাজুও উপস্থিত ছিলেন।
রাশেদ খান বলেন, ৭ আগস্টের পর ১২ ও ১৫ আগস্ট বাংলামোটরের ওয়াটারফল রেস্টুরেন্টেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তার দাবি, আলোচিত ছবিটি ২২ আগস্ট হোটেল ফার্সে তোলা।
বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ছবিতে উপস্থিত ছিলেন চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম আজাদ ওরফে পিচ্চি আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সোনাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেরাজ উদ্দিন, তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন বাবু, যুবলীগ নেতা মাহতাব উদ্দিন রতনসহ আরও কয়েকজন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, এসব বৈঠকের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল কীভাবে হান্নান মাসউদকে হাতিয়ার সংসদ সদস্য (এমপি) করা যায়।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে নিজের মন্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শহীদদের রক্ত শুকানোর আগেই আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের হাত ধরে এমপি হওয়ার বন্দোবস্ত শুরু হয়। এবার আমারে কন, কারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?’








