Logo

পদত্যাগ করার নির্দেশ ছিল আমার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সেরা পরামর্শ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৭
পদত্যাগ করার নির্দেশ ছিল আমার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সেরা পরামর্শ
ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন | ফাইল ছবি

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত অপপ্রচারের আশঙ্কা বুঝতে পেরেই প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ওই পরামর্শ দিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা তুলে ধরেন ইশরাক হোসেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছিলেন, যা আমি একবাক্যে মেনে নিয়েছিলাম। প্রথমে শাস্তি মনে হয়েছিল, কিন্তু সবার আগে তিনিই পরিষ্কার বুঝে ফেলেছিলেন যে একটি গণমাধ্যম ও কমন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আমার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর একটি পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছে।’

ইশরাকের ভাষ্য, ‘পুরো ছক তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে একটার পর একটা বিধ্বংসী প্রতিবেদন ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে আমার চরিত্র হনন করা হতো এবং আমাকে জনগণের তুমুল সমালোচনার মুখে ফেলা হতো। আর আমার শুভাকাঙ্ক্ষী সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে আমাকে একঘরে করে ফেলত। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হতো, যাতে হয়তো আমার রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানতে হতো। একই চক্র অতীতে তার বিরুদ্ধে কী ভয়াবহ অন্যায় পরিকল্পনা করেছিল, সেটাও তিনি মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।’

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীকে নিজের প্রতি স্নেহশীল অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করে ইশরাক বলেন, ‘আমি তার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রাখা একজন কর্মী। আল্লাহর রহমতে দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহের চোখে দেখেন এবং সবসময় আমার জন্যে কোনটা ভালো সেটি চিন্তায় রাখেন। যার প্রমাণ আমি জীবনে বার বার পেয়েছি ।’

নিজের শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে ইশরাক লেখেন, ‘আমি একটি কঠিন কাজ শুরু করতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে সূত্রপাত হওয়া এক ভয়াবহ চক্রান্ত থেকে নিজেকে পাশ কাটিয়ে রক্ষা করতে পেরেছি।,

বিজ্ঞাপন

পোস্টের শেষাংশে নিজ দলের ভেতরে কারও বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।

তিনি লেখেন, নিজ দলের সুযোগসন্ধানী কেও যদি আঁতাত কারি হয়, প্রমাণ সাপেক্ষে , অনুমতি নিয়েই পা*** চা*** তুলে নেবো। আমরা ঢাকার মানুষ, ক্ষেত-খামারির কূটচাল এখানে চলবে না।’

এর আগে, অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’ পরিচালনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ইশরাক হোসেনকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরই মধ্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

বিজ্ঞাপন

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD