Logo

চট্টগ্রামের জয়ে নোয়াখালীর বিদায়

profile picture
ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৮:২৮
চট্টগ্রামের জয়ে নোয়াখালীর বিদায়
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাটিং-বোলিং দুদিকেই দুর্দান্ত সূচনার পরও পরাজয় এড়াতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরে বিপিএল থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে প্রথবার বিপিএলে অংশ নেওয়া নোয়াখালী ফ্র্যাঞ্চাইজির।

বিজ্ঞাপন

শরিফুলের তোপে মাত্র ১২৬ রান করার পর সেটি ডিফেন্ড করতে নেমে ২৯ রানে চট্টগ্রামের ৪ উইকেট তুলে নেয় নোয়াখালী। ইনিংসের প্রথম চতুর্থ বলেই দলের বোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই মাহমুদুল হাসান জয়কে (০) সাজঘরে ফেরত পাঠান হাসান মাহমুদ।

সদ্যই চট্টগ্রামে যোগ দেওয়া পাকিস্তানি মোহাম্মদ হারিসও বিদায় নেন মাত্র ৭ রান করে। ১১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় চট্টগ্রাম আরেক পাকিস্তানি ইহসানউল্লাহর বলে। আবারও ইহসানের আক্রমণে নতি শিকার করে চট্টগ্রাম। রানের খাতা না খুলেই মাহফিজুল ইসলাম ফিরলে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারায় রয়্যালস।

বিজ্ঞাপন

দলীয় ২৯ রানে ৭ বলে ১৮ রান করা নাইম শেখকে ফেরান সাব্বির হোসেন। চতুর্থ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে চট্টগ্রাম। জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে নোয়াখালী। আসরে টিকে থাকার সম্ভাবনাও দেখতে থাকে।

কিন্তু ৪০ রানের জুটি গড়ে চাপ সামাল দেন হাসান নওয়াজ ও অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। ১১ রান করে দলীয় ৬৯ রানে হাসান আউট হন জহির খানের বলে।

৬৯ রানে ৫ উইকেট হারালেও জয় আদায় করে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ৩৬ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৩০ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন আসিফ আলীও।

বিজ্ঞাপন

৫৭ রানের জুটিতে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটের জয় পাইয়ে দেন এ দুজন। নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর বিদায়ও।

এর আগে, শরিফুল ইসলামের তোপে পড়ে মাত্র ১২৫ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার নেন তিনি। মাত্র ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। ৩ উইকেট পান শেখ মেহেদী ও একটি আমের জামাল। নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে হাসান ইশাখিলের ব্যাট থেকে। ২৩ রান করেন জাকের আলী ও ২২ রান আসে সাব্বির হোসেনের ব্যাটে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD