মানের নেতৃত্বে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল সেনেগাল

আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে চরম শাস্তির ঝুঁকিতে পড়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল। বিতর্কিত এক রেফারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছিল দলটি। তবে সেই সংকটময় মুহূর্তে দায়িত্বশীল ভূমিকায় পরিস্থিতি শান্ত করেন তারকা ফরোয়ার্ড সাদিও মানে।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শেষ সময়ে কঙ্গোলিজ রেফারি জ্যঁ-জ্যাক অ্যানডালা ভিএআর পর্যালোচনা করে মরক্কোর পক্ষে একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। ব্রাহিম দিয়াজের ওপর ফাউলের অভিযোগে দেওয়া এই রায়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সেনেগাল শিবির। এর আগেও সেনেগালের একটি গোল বাতিল করা হয়, কিন্তু সেখানে ভিএআর ব্যবহার না হওয়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়।
এই ঘটনাগুলোর পর ক্ষুব্ধ সেনেগালের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা এক পর্যায়ে মাঠ ত্যাগ করেন। ফলে ম্যাচ পরিত্যাগের শঙ্কা দেখা দেয়। আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ বয়কট গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এমন পরিস্থিতিতে সেনেগালকে ৩-০ গোলে পরাজিত ঘোষণা, ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ইউরো জরিমানা এবং আরও কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতো।
বিজ্ঞাপন
এমনকি তাৎক্ষণিকভাবে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হতে পারত। পাশাপাশি সেনেগালের বিরুদ্ধে ২০২৭ ও ২০৩২ এএফকনে নিষেধাজ্ঞা, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত শাস্তি, কোচ পাপে থিয়াউ এবং অধিনায়ক ইদ্রিসা গেয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতের ম্যাচগুলো দর্শকশূন্য মাঠে আয়োজনের ঝুঁকিও ছিল।
তবে সাদিও মানের সংযত ও দৃঢ় নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মাঠে ফেরে সেনেগালের ফুটবলাররা। বড় ধরনের শাস্তি এড়িয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের সম্মান ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে সক্ষম হয় আফ্রিকার চ্যাম্পিয়নরা।








