ভারতীয় দলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাকিস্তানের সাবেক তারকারা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি হার ছাড়া ভারতের ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান ছিল প্রায় নিখুঁত। পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ পারফরম্যান্স দেখানো দলটি ফাইনালেও আধিপত্য দেখিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে।
বিজ্ঞাপন
ফাইনালে ভারতের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন সঞ্জু স্যামসন। এই আসরে টানা তৃতীয় অর্ধশতক তুলে নিয়ে তিনি দলকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন। এরপর বল হাতে জাসপ্রিত বুমরাহ চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তার দাপুটে বোলিংয়ে ১৫৯ রানেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও।
বিজ্ঞাপন
সাবেক অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় বলেন, এই শিরোপা জয়ের পুরো যোগ্যতা ভারতের ছিল। তার মতে, দলের শক্তিশালী সমন্বয়ই তাদের সাফল্যের মূল কারণ। তিনি বলেন, ভারতের বেঞ্চ শক্তিও ছিল বেশ সমৃদ্ধ, ফলে প্রয়োজন হলে সহজেই বিকল্প খেলোয়াড় একাদশে নেওয়া যেত। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই তারা চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছে।
আফ্রিদি আরও বলেন, সঞ্জু স্যামসন দারুণভাবে সুযোগ কাজে লাগিয়েছে এবং বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং করেছে। পাশাপাশি অভিষেক শর্মা ও ইশান কিশানের পারফরম্যান্সও প্রশংসার দাবি রাখে। বোলিংয়ে জাসপ্রিত বুমরাহকে তিনি ভারতের মেরুদণ্ড বলে উল্লেখ করেন। নতুন বল, পুরোনো বল কিংবা ইয়র্কার—সব ক্ষেত্রেই বুমরাহকে বিশ্বের সেরা বোলারদের একজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফও ভারতের এই জয়ে বিস্মিত নন বলে জানিয়েছেন। তার মতে, বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিয়মিত খেলতে খেলতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা চাপের মধ্যেও পারফর্ম করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: দেশে প্রথম নারী বিপিএল, উদ্বোধন বগুড়ায়
তিনি আরও বলেন, ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতাই ভারতের সাফল্যের বড় কারণ। অন্যদিকে পাকিস্তান দলে ঘনঘন পরিবর্তন এবং ধৈর্যের অভাবের কারণে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।








