চোটাক্রান্ত নেইমারকে দলে নিয়ে কি আক্ষেপ আছে আনচেলত্তির?

বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে নেইমারের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সান্তোস ক্লাবের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করেছিলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, তারকা ফরোয়ার্ডের চোট তেমন গুরুতর নয়, বরং হালকা মাত্রার। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই নেইমারকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেন ইতালিয়ান এই কোচ। তবে পরবর্তীতে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেওয়ার পর নতুন করে ধরা পড়ে জটিলতা।
বিজ্ঞাপন
ব্রাজিল দলের চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানতে পারেন, নেইমারের ডান পায়ের মাংসপেশীর চোট আসলে গ্রেড-টু পর্যায়ের। ফলে অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের আগে পানামা ও মিশরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে তার খেলা হচ্ছে না। এমনকি ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও তাকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
গত ১৭ মে থেকে ডানপায়ের মাংসপেশীর সমস্যার কারণে মাঠের বাইরে নেইমার। আর এসিএল ছিঁড়ে যাওয়ায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ব্রাজিলের জার্সি পরেননি তিনি। তবুও গত সপ্তাহে ব্রাজিল দলে ডাক পান সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা।
বিজ্ঞাপন
শনিবার আনচেলত্তিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, চোটটি ফোলা না হয়ে গ্রেড টু স্ট্রেইন জানতে পারলে নেইমারকে দলে নিতেন কি না। কৌতুক করে তিনি বললেন, ‘আমার দাদার যদি চাকা থাকতো, তাহলে তিনি গাড়ি হতেন। যেহেতু আমি দল ঠিক করেছি, নেইমার ২৬ জনের দলে ছিল।’
আনচেলত্তি বললেন, ২৬ জনের স্কোয়াডে নির্বাচিত হওয়ার পরই নেইমারে চিকিৎসার দায়িত্ব হাতে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন, ব্রাজিলের বিশ্বকাপ পরিকল্পনাতে এখনও আছেন নেইমার এবং ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে দলের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে না পারলেও গ্রুপ পর্বের শেষ দিকে তাকে পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞাপন
ইতালিয়ান কোচ বললেন, ‘আমরা মনে করছি সে হয়তো প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের জন্য ফিট হয়ে উঠবে। যদি সে প্রথম ম্যাচের জন্য ফিট না হয়, তাহলে দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য ফিট হবে। তাই আমাদের এনিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমি কোনো পরিবর্তন আনছি না। নির্বাচিত ২৬ জনই বিশ্বকাপে খেলবে।’
মরক্কো ম্যাচের পর ১৮ ও ২৩ জুন হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল। ইতালিয়ান কোচ জানালেন, তিনি নেইমারের সঙ্গে দলে তার ভূমিকা নিয়ে কথা বলেছেন। ফিটনেস ফিরে পেতে তিনি কঠোর পরিশ্রমও করছেন বললেন আনচেলত্তি।








