নিশাম–উইলিয়ামসনদের সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠার গল্প রিপনের

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই শেষ হয়ে গেল এবারের বিপিএল। যে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস, শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ঠিক সেখানেই পাল্টে যায় গল্প।
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রামকে ৬৩ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিপিএলের শিরোপা জিতে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এই সাফল্যের পথে রাজশাহীর স্কোয়াডে তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মেলবন্ধন ছিল চোখে পড়ার মতো। বিদেশি তারকাদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়াটা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য যেমন বড় অভিজ্ঞতা, তেমনি শেখারও দারুণ সুযোগ। সেই সুযোগটা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন রাজশাহীর উদীয়মান পেসার রিপন মন্ডল।
বিজ্ঞাপন
শিরোপাজয়ী দলের হয়ে এবারের বিপিএলে বল হাতে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন রিপন। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি ড্রেসিংরুমে পাওয়া অভিজ্ঞতাকেও নিজের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন তিনি।
রাজশাহী দলে ছিলেন কেইন উইলিয়ামসন, জিমি নিশাম, মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক শান্তর মতো বিশ্বমানের ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। তাদের সান্নিধ্য পাওয়াটাই তরুণ রিপনের কাছে ছিল বড় প্রাপ্তি।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের দলে শান্ত ভাই, মুশফিক ভাই, কেইন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশামের মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়রা ছিলেন। তাদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করলে অনেক কিছু শেখা যায়।”
বিজ্ঞাপন
রিপনের ভাষায়, বড় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা আসে চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে। “চাপের মুহূর্তে কীভাবে ঠাণ্ডা মাথায় থাকতে হয়, কোন পরিস্থিতিতে কী করা উচিত—এসব বিষয় আমরা তাদের কাছ থেকেই শিখেছি,” যোগ করেন তিনি।
এত বড় তারকাদের সঙ্গে খেলাটা চাপের ছিল কি না—এমন প্রশ্নে রিপন বলেন, বিষয়টা তিনি একেবারেই অন্যভাবে দেখেছেন। “চাপের ছিল না, বরং উপভোগ করেছি। একজন খেলোয়াড় হিসেবে বড় ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেললে যদি নিজের সেরাটা দিতে পারেন, তাহলে সেটা দারুণ অনুভূতি দেয়,” বলেন এই ডানহাতি পেসার।
বিজ্ঞাপন
এবারের বিপিএলে ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে রিপন হয়েছেন টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও দলের সাফল্যকেই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মনে করছেন তিনি।
“চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরেছি—এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন,” বলেন রিপন।








