বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কটের পর পাকিস্তানের কী ‘প্ল্যান’ জানালেন মহসিন

বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএল স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স বাদ দেওয়ার পর ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল পাঠাতে রাজি হয়নি।
বিজ্ঞাপন
ভারত থেকে ভেন্যু পরিবর্তন করে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে একাধিক চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে কয়েক দফা চিঠি চালাচালির পর আইসিসি জানায়, ভারতে অংশগ্রহণকারী কোনো দলের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। ফলে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে ভারতেই খেলতে হবে—এমন শর্ত দেয় বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা।
শনিবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান ও দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি বললেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া উচিত ছিল।
আরও পুড়ন: বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিলো আইসিসি
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য গত ২১ জানুয়ারি পূর্ণ সদস্য দেশের বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল আইসিসির বৈঠকে। সেখানে পাকিস্তান বাদে অন্যরা বাংলাদেশের অবস্থানের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল। তারই ভিত্তিতে আইসিসি জানিয়ে দেয়, খেলতে হলে ভারতেই খেলতে হবে বাংলাদেশকে। কিন্তু তবুও বাংলাদেশ নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। সবশেষ তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডের নাম ঘোষণা করে আইসিসি।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহসিন বললেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বোর্ড সভাতেও একই কথা বলেছি। আপনার দ্বিমুখী নীতি থাকতে পারে না, যেখানে একটি দেশ যখন খুশি যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং অন্য একটি দেশের ক্ষেত্রে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা করা হয়।’
বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার এমন দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথা জানান তিনি, ‘এ কারণেই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি যে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো মূল্যে তাদের বিশ্বকাপ খেলার অনুমতি দেওয়া উচিত। তারা (ক্রিকেটের) একটি প্রধান অংশীদার এবং এই অবিচার করা উচিত নয়।’
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপ বয়কট করার সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে মহসিন বলেন, পাকিস্তান সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ফেরার অপেক্ষা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দেশ অন্য দেশকে নির্দেশ দিতে পারে না। আর যদি এই নির্দেশের চেষ্টা করা হয়, তবে পাকিস্তানের অবশ্যই নিজস্ব অবস্থান রয়েছে। পাকিস্তানও যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলে তবে সেক্ষেত্রে কোনো `প্ল্যান বি' আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে সিদ্ধান্ত আসতে দিন; আমাদের কাছে প্ল্যান এ, বি, সি, ডি সবই আছে।’
বিজ্ঞাপন








