মুশফিকের ফিফটি, তাসকিনের ঝড়ে ৪১৩ রান তুলল বাংলাদেশ

মিরপুর টেস্টে একসময় বাংলাদেশের ইনিংস বড় সংগ্রহ গড়তে পারবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছিল শঙ্কা। তবে শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সেই দুশ্চিন্তা কাটিয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানের শক্ত ভিত গড়ে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ১১৭.১ ওভারে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
বিজ্ঞাপন
আগের দিন ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সকালে ব্যাট হাতে বেশ সতর্ক ছিলেন অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। ধৈর্য ধরে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছিলেন তারা। তবে দলীয় ৩৩৮ রানের সময় মোহাম্মদ আব্বাসের বলে বিদায় নেন লিটন। অফস্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দেন তিনি। ৩৩ রান করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
আরও পড়ুন: বন্ধু নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখতে চান মেসি
এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। আব্বাসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ১০ রান করে পয়েন্ট অঞ্চলে ক্যাচ দেন তিনি। ষষ্ঠ উইকেট হারানোর সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৫৬ রান।
বিজ্ঞাপন
তাইজুল ইসলাম কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আব্বাসের বাউন্সার সামলাতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন তিনি। ২৩ বলে ১৭ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি স্পিনার। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৩৮০ রান।
বিরতির পরদিনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের জন্য। ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করা মুশফিকুর রহিম দ্রুতই বিদায় নেন। নিজের ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম অর্ধশতক তুলে নেওয়া এই অভিজ্ঞ ব্যাটার শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন। ১৭৯ বল মোকাবিলা করে ৮টি চারে ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এরপর শূন্য রানেই ফিরে যান এবাদত হোসেন। তাকে আউট করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। তখন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৯ উইকেটে ৩৮৪ রান।
চারশ রানের মাইলফলক তখনও অনিশ্চিত ছিল। কিন্তু শেষ জুটিতে তাসকিন আহমেদ দারুণ কিছু শট খেলে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। আব্বাসকে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে দলের চারশ পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় মূল্যবান রান যোগ করে শাহিন আফ্রিদির বলে স্লিপে ক্যাচ দেন তাসকিন। অপরপ্রান্তে ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি ৫টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।








