ব্রাজিল, ব্রাজিল ধ্বনিতে কাঁপছে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম

ব্রাজিলের ম্যাচ মানেই বাড়তি আকর্ষণ। হাইতির বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের দাপুটে উপস্থিতি, যা পুরো ম্যাচের আবহই বদলে দেয়।
বিজ্ঞাপন
স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় অনেক সাংবাদিককে মিডিয়া ট্রিবিউনের নির্ধারিত অংশে বসতে হয়েছে। সেখানে সংবাদকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব সুবিধা না থাকলেও সমর্থকদের উন্মাদনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ মিলেছে।
খেলা শুরুর আগেই স্টেডিয়ামের চারপাশে ব্রাজিল সমর্থকদের সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে। ম্যাচ শুরু হওয়ার পর গ্যালারির দৃশ্য দেখে মনে হয়েছে, দর্শকদের বড় অংশই ব্রাজিলের সমর্থক। ফলে সেলেসাওদের প্রতিটি আক্রমণেই গর্জে উঠেছে পুরো স্টেডিয়াম। প্রথম দিকে একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলে সমর্থকদের মধ্যে হতাশার ছাপও দেখা যায়।
বিজ্ঞাপন
মিডিয়া ট্রিবিউনের একাংশেও ছিলেন ব্রাজিলের সমর্থকরা। সাও পাওলো থেকে আসা রিকার্ডো ও তার ছেলে ওহিও ম্যাচজুড়ে ছিলেন উচ্ছ্বসিত। ব্রাজিলের প্রতিটি গোলের পর দুজনকে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেছে। ম্যাচের ফাঁকে ফুটবল নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রাণবন্ত আলোচনা ও খুনসুটিও করেছেন তারা।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ব্রাজিল সমর্থকরা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ব্রাজিলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে তারা উচ্ছ্বাস জানান।
ম্যাচে শুরু থেকেই স্পষ্ট আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের করা তৃতীয় গোলের পর স্টেডিয়ামজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে ‘ওলে, ওলে, ব্রাজিল’ ধ্বনি শোনা যায়।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, গোলপোস্টের পেছনের অংশে কয়েক হাজার হাইতি সমর্থকও উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজেদের দলকে উৎসাহ দিতে স্লোগান দিলেও ব্রাজিল সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতির কারণে সেই আওয়াজ অনেকটাই চাপা পড়ে যায়।








