ব্রাজিলের ক্লাবে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার

আধুনিক ফুটবলে দীর্ঘ সময় একই ক্লাবে খেলার নজির দিন দিন কমে যাচ্ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া, নতুন চ্যালেঞ্জ কিংবা বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে অনেক ফুটবলারই ঘন ঘন ক্লাব বদল করেন। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদাও সেই তালিকার অন্যতম। মাত্র সাত বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারেই তিনি পাঁচটি ভিন্ন ক্লাবের জার্সি গায়ে তুলেছেন।
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে খেললেও ব্রাজিলের ক্লাব বোতাফোগোতে কাটানো সময়কে এখনো বিশেষভাবে মনে রেখেছেন আলমাদা। জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-১ গোলের জয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভবিষ্যতে আবারও বোতাফোগোর জার্সি গায়ে তোলার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে ব্রাজিলের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে আলমাদা বলেন, বোতাফোগোতে তার সময়টা ছিল অসাধারণ। সেই অভিজ্ঞতা তার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে সুযোগ তৈরি হলে আবারও ক্লাবটিতে ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, বোতাফোগোর সমর্থকদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। ক্লাবটিতে থাকাকালে সমর্থকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন, তা সবসময়ই তার মনে থাকবে।
২০২৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বোতাফোগোর হয়ে খেলার সময় আলমাদা দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা জেতেন। ওই সময় তিনি ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’ এবং কোপা লিবার্তাদোরেস জয়ের স্বাদ পান, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় এক ক্লাবে খেলার উদাহরণ হিসেবে এখনও লিওনেল মেসির নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। বার্সেলোনায় দুই দশকেরও বেশি সময় কাটানোর পর তিনি পিএসজিতে যোগ দেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে পাড়ি জমান এবং সেখানেও শিরোপা জয়ের সাফল্য অর্জন করেন।
বিজ্ঞাপন
থিয়াগো আলমাদা ২০১৮ সালে আর্জেন্টিনার ক্লাব ভেলেস সার্সফিল্ডের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর তিনি আটলান্টা ইউনাইটেড, বোতাফোগো, লিওঁ এবং বর্তমানে আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে খেলছেন। লিওঁর হয়ে তিনি ধারে খেলেছিলেন।
চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম দুই গ্রুপ ম্যাচে—আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে—শুরুর একাদশে সুযোগ পান আলমাদা। তবে দুটি ম্যাচেই পুরো সময় মাঠে থাকতে পারেননি। জর্ডানের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে তিনি দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর পরিবর্তে মাঠে নামেন।
বিজ্ঞাপন
গ্রুপ পর্বে টানা তিনটি ম্যাচ জিতে ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে আগামী ৪ জুলাই মায়ামিতে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।








