বিশ্বকাপে ৪০ বছর পর নকআউটে জিতে শেষ ষোলোতে মেক্সিকো

বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত রেখে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোতে। বজ্রঝড়ের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া শেষ ৩২-এর ম্যাচে তারা ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে চার দশক পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে নিল মেক্সিকানরা।
বিজ্ঞাপন
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি মেক্সিকোর টানা সপ্তম জয়। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলে তারা জিতেছে ১০টিতে। পাশাপাশি ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালির পর প্রথম দল হিসেবে টানা চারটি বিশ্বকাপ ম্যাচে কোনো গোল না হজম করেই জয় পেল তারা। ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে এই জয়ের পর আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড ও গণতান্ত্রিক কঙ্গোর মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে মেক্সিকো।
ম্যাচের দুই গোলই আসে প্রথমার্ধে। ২২ মিনিটে হুলিয়ান কিনিয়োনেস গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন। এরপর ৩১ মিনিটে রাউল হিমেনেজ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
বিজ্ঞাপন
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। ম্যাচের প্রথম দিকেই লুইস রোমোর ক্রস থেকে রাউল হিমেনেজের হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। পরে ১৭ বছর বয়সী গিলবার্তো মোরাও দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া জোরালো শটে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান, তবে বল পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
প্রথম ধাক্কা সামলে ইকুয়েডরও পাল্টা আক্রমণে ওঠে। গঞ্জালো প্লাতার দারুণ আক্রমণ থেকে জন ইয়েবোয়ার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসায় সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।
এরপর ২২ মিনিটে রবার্তো আলভারাদোর নিখুঁত থ্রু পাস ধরে উইলিয়ান পাচোকে পরাস্ত করে জোরালো শটে বল জালে পাঠান হুলিয়ান কিনিয়োনেস। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার তৃতীয় গোল। মাত্র নয় মিনিট পর কিনিয়োনেসের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস বিনিময়ের পর রাউল হিমেনেজ দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ২-০ করেন। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ৪৭তম গোল।
বিজ্ঞাপন
বিরতির পর দুই দলই গোলের জন্য চেষ্টা চালালেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ২-০ গোলের জয় নিয়েই শেষ ষোলো নিশ্চিত করে মেক্সিকো। অন্যদিকে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া ইকুয়েডরের এবারের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।
সূত্র: এএফপি








