ক্রিকেটারদের অধিকার রক্ষায় কাজ করেছে কোয়াব: মোহাম্মদ মিঠুন

গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মিঠুন। সেই হিসেবে আজ পূর্ণ হলো সংগঠনটির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির এক বছর। এক বছর পূর্তিতে কোয়াবের কার্যক্রম, ক্রিকেটারদের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন মিঠুন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা, সদিচ্ছা ও একাগ্রতার কারণেই কোয়াবের নেতৃত্বে গত ১২ মাস সফলভাবে পার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। মিঠুনের মতে, গত এক বছর সহজ ছিল না, তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।
ক্রিকেটারদের অধিকার ও কল্যাণকে সংগঠনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে কোয়াব সভাপতি বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয়নি। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করে প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান ধরে রাখা হয়েছে।
গত এক বছরে বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রিকেটারদের পাশে থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেন মিঠুন। বিশেষ করে বিপিএল আয়োজন না হওয়ায় ক্রিকেটারদের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা কিছুটা কীভাবে পুষিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে কোয়াব কাজ করেছে বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া ক্রিকেটারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হয়েছে। কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অধিকার ও স্বার্থ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও জানান কোয়াব সভাপতি।
এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠনের পক্ষ থেকেও কোয়াবকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কল্যাণ, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় কোয়াবের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞাপন
আগামী দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে মিঠুন জানান, ক্রিকেটারদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। পাশাপাশি ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। দীর্ঘমেয়াদে আরও বেশি সংখ্যক ক্রিকেটার যাতে এসব উদ্যোগের সুফল পান, সে লক্ষ্যেই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।
মিঠুন বলেন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় যৌথ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারের উপকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে হবে। সামনে আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, গত এক বছরে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে ক্রিকেটারদের জন্য কাজ করতে পারবেন তারা।








