চোট পেয়ে কাঁদলেন নেইমার, ক্ষোভ ঝাড়লেন মাঠকর্মীদের ওপর

কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে পালমেইরাসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিদায় নিশ্চিত করেছে সান্তোস। প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেইমার জুনিয়রের দল। এর মধ্যেই দলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে নেইমারের চোট। এই চোটের জন্য ভিলা বেলমিরোর অসমান মাঠের অবস্থাকে দায়ী করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
বিজ্ঞাপন
সান্তোসের নিজেদের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন নেইমার। বিরতি পর্যন্ত মাঠে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর খেলতে পারেননি তিনি। ড্রেসিংরুমে যাওয়ার সময় চোখের পানি মুছতে দেখা যায় ৩৪ বছর বয়সী এই তারকাকে।
চোটের পর মাঠের অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেইমার। তিনি অভিযোগ করেন, ম্যাচের আগের দিন মাঠের মাটি আলগা করা হয়েছিল। ফলে ম্যাচের দিন মাঠটি গর্তে ভরা ছিল এবং তার দেখা সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মাঠগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছিল।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
নেইমারের দাবি, পালমেইরাসের বিপক্ষে সান্তোসকে শুধু প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেই নয়, নিজেদের মাঠের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে হয়েছে। অসমান মাঠের কারণে দৌড়ানোর সময় গতি বাড়ানো এবং হঠাৎ থামতে খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রথমার্ধেই সান্তোসের তিন খেলোয়াড় চোট পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে মাঠকর্মীদের ব্যঙ্গ করে ‘অভিনন্দন’ জানান নেইমার।
তার চোটের প্রকৃতি ও গুরুতরতা নিশ্চিত করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এর আগে সান্তোসের হয়ে লিগের সর্বশেষ তিন ম্যাচেই শুরু থেকে মাঠে ছিলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
পালমেইরাসের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমার ছাড়াও চোট পেয়েছেন সান্তোসের উইঙ্গার আলভারো বারেয়াল ও ডিফেন্ডার লুকাস ভেরিসিমো। ম্যাচ শেষে কোচ কুকা বলেন, নেইমারকে ছাড়াই দলকে এখন পরিস্থিতি সামলাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তিন খেলোয়াড়ের চোট গুরুতর নয় এবং তারা দ্রুত মাঠে ফিরতে পারবেন।
চলতি মৌসুমে সান্তোসের হয়ে ২৪ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন নেইমার। অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে থাকা দলটি বর্তমানে লিগ টেবিলের ১৪তম স্থানে রয়েছে। অবনমন অঞ্চলের চেয়ে চার পয়েন্ট এগিয়ে আছে তারা। আগের মৌসুমেও পুরোপুরি ফিট না থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পারফর্ম করে সান্তোসকে অবনমন থেকে রক্ষা করতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন নেইমার।








