বাউবিতে শোকের ছায়া, খালেদা জিয়ার স্মরণে আবেগঘন শোকসভা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন বাউবির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সভায় উপাচার্য বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও ঐতিহাসিক অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, শিক্ষা বিস্তার ও মানবসম্পদ উন্নয়নে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বার উন্মোচন তাঁর অনন্য অবদান। ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও তাঁর বিনয়, সহনশীলতা ও মানবিকতা তাঁকে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল। উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
বিজ্ঞাপন
শোকসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাউবির সাবেক প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এ বাশার। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সম্মান ও মর্যাদাবোধে অনন্য এক মহীয়সী নারী। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সম্মান দেওয়ার মানসিকতাই তাঁকে জাতীয় নেত্রী হিসেবে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম। এছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রতিনিধিরাও শোকসভায় বক্তব্য রাখেন।
বিজ্ঞাপন
শোকসভা সঞ্চালনা করেন বাউবির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক আনিছুর রহমান। শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ছাইদুল হক।
শোকসভাটি আবেগঘন পরিবেশে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।








