প্রশাসন ও গবেষণায় ডুয়েটকে এক্সিলেন্স সেন্টার গড়ার আহ্বান উপাচার্যের

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশাসনিক দক্ষতায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরকে দেশের অন্যতম সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ডুয়েটের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে পুরাতন একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে এনহেন্সিং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক্সিলেন্স: প্রফেশনালিজম, অফিস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের স্মরণ করে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে পেশাদারিত্ব, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে অফিস ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অব থিংস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্যাশলেস লেনদেনের সুফল কাজে লাগিয়ে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত হতে হবে। শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রকাশনায় ডুয়েটকে দেশের শীর্ষ অবস্থানে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চালিকাশক্তি হলেন কর্মকর্তারা। সময়ানুবর্তিতা, টিমওয়ার্ক ও প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ধারণ করে কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে।
বিজ্ঞাপন
আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব। তিনি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৩, সরকারি চাকরি বিধিমালা-১৯৭৯সহ প্রশাসনিক করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় তুলে ধরেন। আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কম্পট্রোলার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য ও র্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত পরিচালক (আইকিউএসি) অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। সেমিনারে নবম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।








