মৌলভীবাজার-৩ আসনে নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-রাজনগর (৩) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমানের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১১ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়নের জগৎসী বড়বাড়ি এলাকায় এম এ মুকিতের বাড়ির উঠানে ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের অংশগ্রহণে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম এ মুকিত।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর করিম মঈন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, ১১ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইমরানসহ জেলা ও উপজেলা যুবদল এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিজ্ঞাপন
সভাপতির বক্তব্যে এম এ মুকিত বলেন, বিগত সময়ে দেশে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ না থাকায় অনেক প্রবাসী ভোটের সময় দেশে আসেননি। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় এবার প্রবাসীরা দেশে ফিরছেন। তিনি বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সময়ে এলাকার উন্নয়নের কথা স্মরণ করে এম নাসের রহমানকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম নাসের রহমান বলেন, “এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম। নৌকা আর নেই, নৌকা ডুবে গেছে। আমরা হাসিনাবাদের নির্বাচন চাই না, আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।” তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি, এবার সেই অধিকার ফিরে এসেছে। তাই সবাইকে ফজরের নামাজ শেষে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, “মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে দুর্বল হলেও তাদের ভোটার এখনো রয়েছে। তাই কাউকে বসে থাকার সুযোগ নেই। ভোটের দিন সবাইকে কেন্দ্রমুখী করতে হবে।” ভোটের দিন নফল রোজা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে সময় নষ্ট হবে না এবং নামাজ শেষে সরাসরি কেন্দ্রে যাওয়া সহজ হবে।
বিজ্ঞাপন
এম নাসের রহমান ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ত্যাগ না করার নির্দেশনা দেন এবং ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচনের মূল বিষয় হলো—১৮ বছর পর মানুষ যে ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে, তা যেন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়। কোনো অবস্থায় আত্মতুষ্টিতে ভোগা যাবে না।”
উঠান বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট কেন্দ্রে আনার বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।








