নির্বাচন সামনে রেখে পিরোজপুর-১ এ বিএনপির প্রচারণা জোরদার

পিরোজপুর ১ আসন আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার-প্রচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্ধন্দিতা করছেন এখানকার জনসাধারনের ভালোবাসায় শিক্ত, ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, একজন আদর্শ শিক্ষক ও শিক্ষক বান্ধব নেতা। শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নতি ও শিক্ষকদের অধিকার নিয়ে আলমগীর হোসেন বরাবরই ছিলেন অটল, অবিচল। জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বর্তমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে আপোষহীনভাবে দলের দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রামীর প্রথম কাতারে ছিলেন।
তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে দল ও জনগণের আস্থা ভালোবাসা অর্জন করেছেন যার ফলশ্রুতিতে পিরোজপুর ১ আসনের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন। আলমগীর হোসেন বরাবরই সাধারণ জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত। কখনো নিজেকে বিশাল বড় কিছু না ভেবে বরং সাধারণ জনগণের সেবক ও বন্ধু ভাবেন। দল,মত, জাতি ধর্ম, বর্ণ,শ্রেণী, পেশা নির্বিশেষে ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান আলমগীর হোসেন পিরোজপুরের আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলের কাছে একান্ত আপনজন বলে খ্যাত।
বিজ্ঞাপন
ছাত্র রাজনীতি থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করে, বর্তমানে পিরোজপুরের সর্বোস্তরের মানুষের সাথে মিশে দলের প্রতি অঙ্গীকার ও সাংগঠনিক দক্ষতায় কয়েক দশক ধরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
তিনি পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্ব দেয়া থেকে শুরু করে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক এর দ্বায়িত্ব পালন করেছেন বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।সংগঠনের প্রতি তার নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সুখে-দুঃখে সাধারন মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা তাকে পিরোজপুর-১ আসনের যোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মতবাদ ব্যক্ত করেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন।
এছাড়াও পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী) এ সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ত্যাগ তিতিক্ষা মেধা মনন মস্তিষ্ক ও সুশিক্ষার মাধ্যমে।
বিজ্ঞাপন
সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, আলমগীর হোসেন বিগতদিনে সবসময় তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন।পিরোজপুর ১ আসনের অন্তর্গত কিন্তু উপজেলার আপামর জনসাধারণের বিশ্বাস মানুষ নিশ্চিন্তে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। বিশেষ করে পিরোজপুর সদরে তথা পিরোজপুরের মূল শহরে বেড়ে ওঠা কেউ স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত এমন সুযোগ পাননি,স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও বিশ্লেষকদের অভিমত বিশ্লেষণ করলে এটাই প্রতীয়মান হয় পিরোজপুর সদরের সন্তানকে দল যেমন মূল্যায়ন করেছে তেমনি স্থানীয় সকল মানুষের নিজেদের মান রাখতে ও উন্নত সমৃদ্ধ পিরোজপুর গড়তে তাকে ভোট দিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন আনার এখনই সুযোগ।
দীর্ঘদিন তৃণমূলের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে নাজিরপুর উপজেলার প্রতিটি মানুষের সাথে সখ্যতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে উঠেছে আলমগীর হোসেনের সাথে।সে ক্ষেত্রে ভাগ্যবঞ্চিত নাজিরপুর কে একটি উন্নত নাজিরপুর উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে একজন ভদ্র শিক্ষিত ও মার্জিত নেতৃত্বের প্রয়োজন বরাবরই ছিলো। বিগত কয়েক দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নাজিরপুরের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে পাড়া মহল্লায় আলমগীর হোসেনের পদচারণা ছিলো মানুষের সাথে গভীরভাবে মিশে যাওয়ার প্রবণতা তাকে পিরোজপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে সফল সাংসদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেন নাজিরপুরের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
পিরোজপুর ১ আসনের আরেকটি উপজেলা জিয়ানগর। তৎকালীন ইন্দুরকানি থানাকে উপজেলায় উন্নীতকরণে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের অবদান অনস্বীকার্য। তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় তিনি পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহধন্য আলমগীর হোসেনের অনুরোধে ইন্দুরকানীর উন্নয়ন বঞ্চিত সাধারণ মানুষের একটি সাধারণ থানা এলাকাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অনুসারে এই উপজেলার নামকরণ করা হয় জিয়ানগর।
বিজ্ঞাপন
এমনকি ওই সময় জিয়ানগর উপজেলার উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন একমাত্র আলমগীর হোসেনের কারণেই হয়েছিলো। তাই আলমগীর হোসেন সাংসদ নির্বাচিত হলে তিনি সমানতালে সুষম বন্টন এর মাধ্যমে তিনটি উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন বলে মতবাদ ব্যক্ত করেন জিয়ানগর(ইন্দুরকানী) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন। জিয়ানগর তথা ইন্দুরকানি উপজেলার উন্নয়নের কথা এবং সে ক্ষেত্রে আলমগীর হোসেনের অবদানের কথা স্বীকার করেন এখানকার মুক্তিযুদ্ধ সংসদের নেতারা।
ইতিমধ্যেই পিরোজপুর-১ এলাকা জুড়ে প্রচলিত হচ্ছে—“পিরোজপুর ১ আসনের মাটি, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন এর ঘাঁটি” পিরোজপুর ১ আসনের সাধারন মানুষের জীবন মান উন্নয়নে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে এমপি হিসেবে দরকার।
বিজ্ঞাপন
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, ‘পিরোজপুর ১ আসনে এমপি হতে হলে তাকে অবশ্যই সাধারণ জনগণের অনুভূতি বুঝতে হবে, তাদের দাবি-দাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগোতে হবে। বিগত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত মানুষ এবার পরিবর্তন ও গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা করতে চায়। তাছাড়া এ প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য তাদের অধিকার দেশের গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রয়োগ চর্চা সম্পর্কে সম্পূরক সুযোগ করে দেয়ার এখনি সময়।’ আমাদের দায়িত্ব বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবে রুপান্তরিত করা।
তিনি বলেন,দেশ যখনই সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে, তখনই বিএনপি এই দেশের হাল ধরেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশ অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিলো। সে সময় তিনি খাল খনন ও দুই ফসলসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সময়ও দেশ নানা সংকটে ছিল। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদলসহ রাজনৈতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হয়।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া এলাকার চিকিৎসা খাত, রাস্তাঘাট ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ যেসব উন্নয়ন হয়েছে, তার শতভাগই বিএনপি সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত।তবে পরবর্তী সরকারের সময় এই অঞ্চলের চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খাতে স্বজনপ্রীতি ও বহিরাগতদের প্রবেশের কারণে এই খাতগুলোতে খাদ সৃষ্টি হয়েছে।এটাকে ঢেলে সাজাতে ও জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। বিগত ১৭ বছরে পিরোজপুর ১ আসনে নামমাত্র উন্নতি হয়েছে যার সুফল সাধারণ মানুষ পায়নি।
তিনি বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমি দলের জন্য দীর্ঘদিন আপোষহীনভাবে দলের থেকে নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে লড়াই সংগ্রাম করেছি শুধুমাত্র দেশ ও মানুষের কল্যাণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে। ঐতিহ্যবাহী পিরোজপুর এদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যেখানে সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মেধা-মনন-মস্তিষ্ক, শ্রমের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, প্রযুক্তি সহ সকল ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ভাবে সয়ংসম্পূর্ন একটি অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।আমার কাছে পিরোজপুর ১ আসনের মানুষগুলো আমার পরম আত্মীয়, সাধারন মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক।
আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করলে পিরোজপুর ১ আসনের তিনটি উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্য,শিক্ষা,বাসস্থান ও কর্মসংস্থান খাতে বড় ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করছি। এছাড়াও তিনি তৃণমূল মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর ১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের জনসাধারণ বলছেন, আলমগীর হোসেন ই হাসবে বিজয়ের হাসি আর তার হাসিমুখ মানে জনগনের খুশি।








