দুই দশকের সততা ও দক্ষতার স্বীকৃতি, পদোন্নতিতে সুদীপ বসাক

দীর্ঘ দুই দশকের পেশাগত সততা, দক্ষতা ও দায়িত্বনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কঠোরতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় তাকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, সুদীপ বসাক দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা নগরবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে যান্ত্রিক, পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
পদোন্নতি প্রসঙ্গে সুদীপ বসাক বলেন, “এই অর্জনের জন্য আমি সৃষ্টিকর্তা, প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিনিয়র কর্মকর্তা, শুভানুধ্যায়ী এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞ। নতুন দায়িত্ব যেমন গর্বের, তেমনি বড় চ্যালেঞ্জ। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করা, নগর অবকাঠামোর মান উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করাই হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার।”
তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৯ জুলাই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের যান্ত্রিক শাখায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন তিনি। ২০০৯ সালে চাকরি নিয়মিত হওয়ার পর সততা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। দীর্ঘ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২২ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক প্রয়োজনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে যান্ত্রিক, পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন।
বিজ্ঞাপন
সহকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা জানান, সুদীপ বসাক সবসময় নীতিমালা মেনে চলেছেন এবং অফিসে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর ছিলেন। তাঁর বিভাগের প্রতিটি কাজে সরকারি বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বজনপ্রীতি, নিম্নমানের কাজ কিংবা অনিয়মের কোনো সুযোগ তিনি দেননি। প্রায় ২০ বছরের চাকরিজীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখেছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের সেবা করে যাওয়া কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। নতুন এই দায়িত্বপ্রাপ্তির মাধ্যমে সুদীপ বসাকের পেশাগত জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো বলে তারা মনে করছেন।








