জীবননগরে তাপদাহ, শরবতের দোকানে স্বস্তি খুঁজছে নিম্ন আয়ের মানুষ

চৈত্রের শুরুতেই চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগরে তীব্র তাপদাহ শুরু হয়েছে। টানা তিন দিন ধরে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে দুপুরের প্রখর রোদে বাইরে বের হওয়া সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। জীবিকার তাগিদে রোদের মধ্যেই কাজ করতে গিয়ে তাদের সহ্য করতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
তীব্র গরমে সামান্য স্বস্তির আশায় পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ ভিড় করছেন রাস্তার মোড়ে মোড়ে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শরবতের দোকানগুলোতে। জীবননগরের বিভিন্ন এলাকায় বড় লাল ছাতার নিচে লেবু শরবত, বেল শরবত ও ঠান্ডা পানির জমজমাট বিক্রি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
মানুষ ১৫ থেকে ২০ টাকা গ্লাস দরে শরবত কিনে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন। এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও গরমের তীব্রতা কমছে না।
স্থানীয় শরবত বিক্রেতা আব্দুল হালিম বলেন, “আগে সারাদিনে যে পরিমাণ শরবত বিক্রি হতো, এখন তার কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তিন দিন ধরে সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরম পড়ছে। আগে দিনে ৩০–৪০ গ্লাস বিক্রি হতো, এখন ১৫০–২০০ গ্লাসের বেশি বিক্রি হচ্ছে। লেবু ও বেলের শরবতের পাশাপাশি ঠান্ডা পানির চাহিদাও বেড়েছে।”
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় আবহাওয়া সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও আশপাশের এলাকায় তাপদাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টিপাত না হলে দ্রুত স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই তীব্র গরমে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা খাবার গ্রহণ এবং রোদে কাজের সময় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য।








