Logo

ভুট্টাক্ষেতে আটকে রেখে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
ডিমলা, নীলফামারী
৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫২
ভুট্টাক্ষেতে আটকে রেখে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
ছবি প্রতিনিধি।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী দীর্ঘদিন ধরে তালতলা সরকারপাড়া গ্রামে তার নানির বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে আসছিল। ঘটনার দিন সকালে তার মা ও নানি চিকিৎসার জন্য রংপুরে যান। এ সুযোগে দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বাড়িতে একা পেয়ে একই গ্রামের কাজল রানা (২১) ও মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা কিশোরীকে পাশের একটি নির্জন ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে আটকে রাখে এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও কিশোরী বাড়িতে না ফেরায় স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। রাত ৮টার দিকে তার মা ও নানি বাড়ি ফিরে বিষয়টি জানতে পারেন। একই রাতে অভিযুক্ত কাজল রানা ও মুন্না ইসলাম মান্নানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মামলার আসামিরা হলেন—একই এলাকার রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা এবং বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে এবং দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD