জীবননগরে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন, সেচ সংকটে কৃষক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি বাজারে। এরই প্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জ্বালানি তেল সংগ্রহে নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম চালু রাখতে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে জীবননগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ শুরু হয়। তবে সরবরাহ থাকলেও চাহিদার তুলনায় তা অপর্যাপ্ত হওয়ায় সকাল থেকেই স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেক কৃষককে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও তেল সংগ্রহে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন।
এদিন মোট ২৯ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল, ১৬ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল এবং ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
স্টেশনভিত্তিক সরবরাহ চিত্র, জীবননগর ফিলিং স্টেশন: ডিজেল ৪৫০০ লিটার, পেট্রোল ৪৫০০ লিটার, অকটেন ৪৫০০ লিটার। অংগন ফিলিং স্টেশন: ডিজেল ৪৫০০ লিটার, পেট্রোল ৪৫০০ লিটার। উৎসব ফিলিং স্টেশন: ডিজেল ৯০০০ লিটার, পেট্রোল ৩০০০ লিটার। নাসিম ফিলিং স্টেশন: ডিজেল ৭০০০ লিটার, পেট্রোল ৪৫০০ লিটার। লিমা ফিলিং স্টেশন: ডিজেল ৪৫০০ লিটার।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তেলের সংকটের কারণে বোরো ধানের সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।








