ফরিদপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর জেলায় শিশুদের হাম ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ইউনিসেফ (UNICEF) ও গাভি (Gavi)-এর সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহামুদুল হাসান জানান, আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলায় মোট ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা, ৭৯টি ইউনিয়ন ও ২৩৭টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম চলবে।
ফরিদপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেও টিকা প্রদান করা হবে। মোট ২,৬৯৩টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে, ১০টি স্থায়ী কেন্দ্র ১৪টি অতিরিক্ত কেন্দ্র, ১,৯৩১টি ইপিআই কেন্দ্র, ৭৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কেন্দ্র।
৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছরের কম (৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন) বয়সী সকল শিশুকে হাম-রুবেলার এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে। পূর্বে টিকা নেওয়া থাকলেও এই ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় একটি অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ করতে হবে। তবে অন্য কোনো টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সিভিল সার্জন তার বক্তব্যে বলেন, হাম ও রুবেলা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ রোগ, যা প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তিনি অভিভাবক, শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে এই কর্মসূচি সফল করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের টিকা দেওয়ার অনুরোধ করেন।
ফরিদপুরকে হাম-রুবেলা মুক্ত করতে এই কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনটি শেষ হয়।








