শাহজাদপুরে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সজীব হোসেন (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণীর এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পরে গ্রাম্য শালিসে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার সময় পুলিশ উপস্থিত হলে শালিস পণ্ড হয়ে যায়।
বিজ্ঞাপন
ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুল তলা গ্রামে। অভিযুক্ত সজীব ওই গ্রামের বাসিন্দা ও মশিপুর ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল হাই এর ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা, প্রায় ৬ দিন পূর্বে ভুক্তভোগী শিশুসহ ৩ শিশুকে আম দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্ত সজীব তাদের বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে বাড়িতে গিয়ে শিশুরা বুঝতে পারে সজীবের স্ত্রী ও বাড়ির লোকজন কেউ নেই। কৌশলে অন্য ২ শিশু চলে গেলেও ভিকটিম শিশুকে একা পেয়ে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করেন সজীব।
বিজ্ঞাপন
পরে বিষয়টি অভিভাবকদের জানালে সজীবের পিতা হাফেজ আব্দুল হাই প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রামের প্রধানদের ম্যানেজ করে শিশুটির পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে ধামাচাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে শালিসের আয়োজন করেন। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে এলাকার প্রধানদের নেতৃত্বে একটি শালিসের আয়োজন করা হয়।
বিষয়টি শাহজাদপুর থানা পুলিশ অবহিত হয়ে চলমান শালিসে উপস্থিত হলে সেখানে উপস্থিত প্রধানরা ও লোকজন সটকে পড়েন। পরে শাহজাদপুর থানার উপপরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক ও রফিক ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সাথে কথা বলেন। পরে ভুক্তভোগী শিশু ও তার ২ সহপাঠী এবং পিতা-মাতা শাহজাদপুর থানায় উপস্থিত হন।
আরও পড়ুন: তিন দিনের মাথায় ফের বিএনপি কর্মী খুন
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সজীব মাঝে মধ্যেই বিভিন্নভাবে তাদের উত্যক্ত করতো। ঘটনার দিন তার মায়ের কথা বলে আম দেওয়ার জন্য ঘরে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা যেন কাউকে না জানায় সেজন্য ভয়ভীতিও দেখায়।
এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় শালিসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়। পরে ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।








