তাহিরপুরে ৬টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র চালু করল ওয়ার্ল্ড ভিশন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে ৬টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র বা ‘লার্নিং রুটস’ চালু করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
এই উদ্যোগের আওতায় উপজেলার ৪ থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ১৩৮ জন শিশু প্রাক-শৈশব যত্ন, শিক্ষা ও মানসিক বিকাশমূলক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে।
সংস্থাটির তাহিরপুর অফিস সূত্রে জানা যায়, চালু হওয়া ৬টি কেন্দ্রে বর্তমানে ৬৩ জন ছেলে ও ৭৫ জন মেয়ে শিশু নিয়মিত ক্লাস করছে। এর মধ্যে ৪২ জন স্পন্সর শিশুসহ মোট ১৩৮ জন শিশু এ কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। এছাড়া ৩ জন প্রতিবন্ধী শিশুও এই উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জয়নগর, বীরনগর, মধ্য-তাহিরপুর, লক্ষীপুর, চিকসা ও ধুতমা গ্রামে এসব কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে খেলাধুলা, আনন্দমুখর শিক্ষা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে সহায়তা করা হচ্ছে।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তানহা বেগমের মা বলেন, আগে তার মেয়ে খুব চুপচাপ থাকলেও এখন সে প্রতিদিন কেন্দ্রের জন্য অপেক্ষা করে এবং আনন্দ নিয়ে শেখার কাজে অংশ নেয়।
স্থানীয় অভিভাবক রুপা বেগম বলেন, এসব কেন্দ্রের কারণে শিশুদের আচরণ, শেখার আগ্রহ ও সামাজিকতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রোগ্রাম অফিসার মহসিন খান জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে শিশুদের জন্য আনন্দমুখর ও নিরাপদ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং তিনি নিয়মিত কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছেন।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের তাহিরপুর এপি ম্যানেজার সজল ইগ্নেসিয়াস গমেজ বলেন, শিশুদের জীবনের প্রথম কয়েক বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় সঠিক শিক্ষা ও যত্ন নিশ্চিত করা গেলে তারা ভবিষ্যতে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।
বিজ্ঞাপন
তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, প্রাক-শৈশব বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।








