কটিয়াদীতে ওষুধ প্রতিনিধিদের মানববন্ধন থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট পাঁচ দাবি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) উপজেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এসময় ওষুধ প্রতিনিধিদের মানববন্ধন থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টায় কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কম্পাউন্ডে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। চিকিৎসকদের চেম্বারে ওষুধ প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ আখ্যা দেওয়া, অহেতুক হয়রানি ও গ্রেপ্তার বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
এতে বক্তব্য রাখেন, ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) কটিয়াদী শাখার সভাপতি রেফায়েত খান হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক নুর আলম সিদ্দিকী। এছাড়াও বদরুল আলম,মিনহাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মজনু সহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
বিজ্ঞাপন
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যারা আমাদের দালাল বলছেন, তাদের চেয়ে আমাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো অংশে কম নয়। আমরা মূলত নতুন ওষুধের বৈজ্ঞানিক তথ্য ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে চিকিৎসকদের অবহিত করি। আমাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই চিকিৎসকরা নতুন ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। আমরা দালাল নই, বরং স্বাস্থ্যসেবার সেতুবন্ধন।
তারা আরও বলেন, আমরা স্বাস্থ্যসেবার একটি অপরিহার্য অংশ। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি প্রতিনিয়ত অপমানিত হতে হয়, তবে দেশের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়বে। আমরা এই সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কর্মসূচি শেষে প্রতিনিধিরা কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
বিজ্ঞাপন
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালিত অভিযানে ওষুধ প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ আখ্যা দিয়ে হয়রানি ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় ওষুধের বৈজ্ঞানিক তথ্য চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ মাঠপর্যায়ে তাদের অপমান ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় ফারিয়ার পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: ওষুধ প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ বলা বন্ধে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা প্রদান, অযৌক্তিক গ্রেপ্তার ও অপমানজনক আচরণ বন্ধ, গণমাধ্যমে দায়িত্বশীল ও সঠিক সংবাদ প্রচার নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়-আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফারিয়া প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বৈঠকের আয়োজন এবং ওষুধ প্রতিনিধিদের পেশাগত কার্যক্রমের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।








