Logo

মাজারের অর্থ নিয়ে সাবেক ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
সিলেট
২৪ জুন, ২০২৬, ১৮:০৯
মাজারের অর্থ নিয়ে সাবেক ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল
ডিসি সারওয়ার আলম | ফাইল ছবি

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে নিয়ে একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স থেকে পাওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে শোনা যায় তাকে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফোনালাপটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। অডিওতে একজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় মাজারের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোথায় এবং কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন সারওয়ার আলম।

ফোনালাপে তিনি জানান, দানবাক্সগুলো থেকে প্রাপ্ত অর্থের মধ্যে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা এবং একটি অলংকার পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে অতিরিক্ত ৫ লাখ টাকা যুক্ত করা হয়েছে। এসব অর্থ একটি যৌথ ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, অর্থ সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্ফ পরিদর্শকের নামে যৌথ হিসাব খোলা হয়েছে। প্রথমে মাজার পরিচালনা কমিটির একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে তিন সদস্যের যৌথ হিসাব করার চিন্তা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব না হওয়ায় জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্ফ ইন্সপেক্টরের নামে যৌথ অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা রাখা হয়।

ভাইরাল হওয়া কথোপকথনে সারওয়ার আলম আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে কিংবা কোন খাতে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা। তাদের নির্ধারিত নীতিমালার ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে সোমবার হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে থাকা চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থাপিত আরও চারটি দানবাক্সসহ মোট আটটি দানবাক্স খোলা হয়। দীর্ঘ সময় পর ডাবল লক পদ্ধতিতে খোলা এসব দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

দানবাক্স গণনার পর পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, প্রায় ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং দুটি সৌদি রিয়াল। পরে উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় জমা দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম মাজার তহবিলে অতিরিক্ত ৫ লাখ টাকার একটি চেকও প্রদান করেন। এ অর্থও মাজারের উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD